Friday, October 2, 2026

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ‘মাননীয়’ বাদ, নিজেই দিচ্ছেন ডিজিটাল হাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদবির আগে দাপ্তরিক নথিতে সম্মানসূচক ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত তাঁর নিজ কার্যালয় থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিজেও ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন সরকারি নথি, ফাইল ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরা দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এর আগে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথি ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নির্দেশনাটি শুধু পরিপত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও তা কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত ফাইল ও সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ লেখার পরিবর্তে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ শব্দ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের মতে, পদবির সঙ্গে অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিক বিশেষণ ব্যবহারের পরিবর্তে দায়িত্ব ও জনসেবার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি বার্তা এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে।
এদিকে দাপ্তরিক উপস্থিতির ক্ষেত্রেও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর মতো প্রধানমন্ত্রীও ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন। অফিস শেষে বের হওয়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সরকারপ্রধান নিজেই দাপ্তরিক নিয়ম অনুসরণ করায় প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে দায়িত্ব পালনের একটি বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জাতীয়সরকারি সংবাদ

দৈনিক জন খবর

সত্য বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিতে আমরা সংবাদ প্রকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ । জনগণের কথা তুলে ধরা এবং পাঠকদের নির্ভরযোগ্য তথ্যের সঙ্গে যুক্ত রাখাই দৈনিক জন খবর - এর প্রধান উদ্দেশ্য।