রবিউল আউয়াল মাসে মহানবী (সা.)-এর শুভাগমনের স্মরণে ১৩ দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী সমাবেশ
পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের আগমন মুমিনদের হৃদয়ে অনাবিল আনন্দ ও সুসংবাদ বয়ে আনে। এ বরকতময় মাসেই মহান আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিজগতের সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত ও রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ ধরায় প্রেরণ করেছেন। একজন প্রকৃত মুমিনের জন্য মহানবী (সা.)-এর শুভাগমনের চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।
হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রহ.) দরগাহ শরীফ মসজিদে ১৩ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সমাবেশের দ্বিতীয় দিনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আল্লামা শাহসূফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.)।
আঞ্জুমানে আশেকানে মোস্তফা (দ.) ট্রাস্ট ও আশেকানে মোস্তফা (দ.) তরুণ পরিষদের ব্যবস্থাপনায় গত ১৪ আগস্ট হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রহ.) দরগাহ মসজিদে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা শাহসূফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.)।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাফেজ মাওলানা কাযী মুহাম্মদ খালেদুর রহমান হাশেমী।
সমাবেশে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন উরকিরচর মোহাম্মদীয়া সুন্নিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা হাসান রেজা আল কাদেরী, ষোলশহর খতিবের হাট জামে মসজিদের খতিব আল্লামা হাফেজ গোলাম কিবরিয়া আল কাদেরী এবং আল্লামা হাফেজ শিব্বির আহমদ ওসমানী।
অনুষ্ঠানে শাহজাদাগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ সফিরুর রহমান হাশেমী, শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ নাকিব হাশেমী, মুহাম্মদ নাজিমুল হাসান, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নিশানসহ অসংখ্য আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে মিলাদ ও কিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাবারুক বিতরণ করা হয়। দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১৩ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সমাবেশের দ্বিতীয় দিনের আয়োজন শেষ হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

